শিক্ষাখাতে নেপোটিজম ও ফেভারিটিজমের কোনো সুযোগ থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভর্তি ও শিক্ষক নিয়োগসহ সব ক্ষেত্রে মেধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষার্থীদের প্রবেশিকা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে জাকসুর সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক আহসান লাবীব বলেন, অতীতে রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অনেক মেধাবী বিসিএস পরীক্ষার্থী নিয়োগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। বর্তমান সরকার যেন রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে বঞ্চিত না করে, সে বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদে আলোচনা ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “তুমি বলেছো, মেধাহীন যারা শিক্ষক হয়েছেন, তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আমি মনে করি, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার। কীভাবে একটি গঠনমূলক পদ্ধতিতে এটি সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে আমরা কাজ করছি। মেধাহীনরা শিক্ষক হতে পারে না।”
তিনি বলেন, “আমরা যখন পড়াশোনা করেছি, তখন প্রথম শ্রেণিতে প্রথম না হলে বিভাগে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেওয়ার সুযোগ পাওয়া যেত না। এখন দেখা যায়, রাজনৈতিক বিবেচনায় দ্বিতীয় শ্রেণির ফল নিয়েও কেউ কেউ শিক্ষক হচ্ছেন। এসব বিষয় আমাদের সমাধান করতে হবে।”
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের নেপোটিজম বা ফেভারিটিজম চলবে না। ভর্তি বা নিয়োগের ক্ষেত্রে আমি কখনো কাউকে সুপারিশ করিনি। দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলতে পারবেন না যে আমি কাউকে ভর্তি বা চাকরি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।”
তিনি বলেন, “আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বজনপ্রীতি ও পক্ষপাতিত্বের সংস্কৃতি চাই না। মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
